জাতীয়
নতুন এইচআর নীতিমালা বাতিলের দাবিতে এসডিএফ কর্মীদের বিক্ষোভ

নতুন মানবসম্পদ (এইচআর) নীতিমালা বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)-এর কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে বিএনএফ ভবনের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের অন্তত ২০টি জেলা থেকে ক্লাস্টার পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচির আয়োজন করে এসডিএফ কর্মচারী ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, নতুন এইচআর নীতিমালার ফলে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা ও আর্থিক সুবিধা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে আন্তর্জাতিক দাতাদের আস্থা কমে গেছে, যার ফলে বিশ্বব্যাংকের তহবিলও স্থগিত রয়েছে। এতে প্রকল্প কার্যক্রম ও উপকারভোগীরা নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
কর্মচারীদের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—নতুন এইচআর নীতিমালা বাতিল, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদত্যাগ, আরইএলআই প্রকল্পের ক্লাস্টার পর্যায়ের কর্মীদের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সকল কর্মীর জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও অর্জিত ছুটির সুবিধা নিশ্চিত করা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। চাকরির মেয়াদ, আর্থিক সুবিধা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এক পর্যায়ে কর্মসূচি থেকে এনজিও ফাউন্ডেশন ভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণাও দেওয়া হয়।
এসডিএফ কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে কাজ করেও কর্মীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নতুন নীতিমালা তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলেছে এবং শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি অযৌক্তিক নয়। চাকরির নিরাপত্তা ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করে একটি স্বচ্ছ ও ন্যায্য কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।”
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিভিন্ন জেলার কর্মীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।







