আন্তর্জাতিক

এবার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারের নির্দেশ কিমের

প্রাইম বাংলাদেশ ডেস্ক

শেয়ারঃ

এবার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারের নির্দেশ কিমের- খবরের থাম্বনেইল ফটো

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির নৌবাহিনীর পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি যুদ্ধজাহাজ ‘কাং কন’-এ একটি নৌ-পরিচালনা পরীক্ষা তদারক করার সময় এ নির্দেশনা দেন।


এদিকে, চীন ও উত্তর কোরিয়া যৌথভাবে ঘোষণা করেছে যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ৮ থেকে ৯ জুন উত্তর কোরিয়া সফর করবেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ধারাবাহিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার নৌ সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। গত বছরের মে মাসে তিনি ‘কাং কন’ ডেস্ট্রয়ারটির ব্যর্থ উদ্বোধনী উৎক্ষেপণ তদারক করেছিলেন। পরে জাহাজটি মেরামত করে এক মাস পর পুনরায় পানিতে নামানো হয়।


বৃহস্পতিবারের পরিদর্শনের সময় কিম বলেন, নৌবাহিনীকে দ্রুত এমন একটি শক্তিতে পরিণত করতে হবে, যা দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।


তিনি আরও বলেন, পানির ওপর ও নিচে শত্রুর বিরুদ্ধে ‘মারাত্মক আঘাত’ হানতে সক্ষম একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে তোলা ক্ষমতাসীন দলের বর্তমান পাঁচ বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।


রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কিম জং উন এ সফরে শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি তাঁর কন্যা কিম জু অ্যে-কেও সঙ্গে নিয়েছিলেন।


দুই হাজার উনিশ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের শীর্ষ বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ার পর থেকে পিয়ংইয়ং বারবার নিজেকে একটি ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।


বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে কিমের আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিতে হাজারো সেনা পাঠিয়েছে।


গত বছর বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সামরিক কুচকাওয়াজে কিম জং উনকে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা যায়, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।


সম্পর্কিত খবর