আন্তর্জাতিক
খামেনির জানাজায় মানুষের কান্না দেখে ‘বিস্মিত’ ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় মানুষের শোক ও কান্না দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে (খামেনি) ঘৃণা করত।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের এসব মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের প্রথম দিন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ৮৬ বছর বয়সী খামেনি নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরান শাসন করে আসছিলেন।
খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়। তবে একই হামলায় তিনি আহত হয়েছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
খামেনির দেশ বিদায় উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিক শোক ও দাফনপ্রক্রিয়ার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন আজ রোববার তেহরানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ইরানের রাজধানীতে ঢল নামে কোটি মানুষের। তাদের কান্নায় ভারী হয়ে এসেছে ইরানের আকাশ।
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিতে ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি তেহরানে সমবেত হয়েছেন। খামেনির মৃত্যুতে মানুষের এমন কান্না দেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘মানুষকে কাঁদতে দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি।
অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, চাইলে তিনি জানাজায় অংশ নেওয়া সবাইকে ‘নির্মূল’ করতে পারতেন। তবে এমনটি করলে আলোচনার জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকত না।
ট্রাম্প আরও বলেন, খামেনির জানাজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তার ভাষ্য, ‘জানাজার আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে কোনো পক্ষই অপর পক্ষের ওপর হামলা চালাবে না।’
এমআরসাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।







