জাতীয়
ঈদের পর বড় ছুটিতে স্কুল-কলেজ

রমজান মাসের দীর্ঘ ছুটির পর, এবার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বৈসাবি উৎসব, চৈত্র সংক্রান্তি, বাংলা নববর্ষ এবং সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) মিলিয়ে ঈদের পর এই বড় ছুটি উপভোগ করছেন তারা।
বাৎসরিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল (রোববার) বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকবে। তার পরদিন, ১৩ এপ্রিল (সোমবার) চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে আবারও একদিনের ছুটি রয়েছে। ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আরও একদিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।
ফলে টানা ৩ দিন বন্ধ থাকছে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই তিনদিনের আগের দুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুক্র ও শনিবার (১০-১১ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি। এর ফলে, তিনদিনের ছুটি মিলিয়ে টানা ৫ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, সরকারি চাকরিজীবীরা যদি দুই দিনের ছুটি ম্যানেজ করেন, তাহলে তারা টানা পাঁচদিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। সরকারি ছুটির তালিকার অনুযায়ী, ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। ১৭ ও ১৮ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, ১৫ ও ১৬ এপ্রিল (বুধ ও বৃহস্পতিবার) ছুটি ম্যানেজ করলেই পাঁচ দিনের ছুটির সুবিধা পাওয়া যাবে।
তবে, তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান—এলাকার সরকারি চাকরিজীবীরা ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি পাবেন। সেই অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল (রোববার) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফলে, দুই দিন ছুটি ম্যানেজ করলেই এই তিন জেলার চাকরিজীবীরা টানা ছয় দিনের ছুটির সুযোগ পেয়ে যাবেন।
এছাড়া, দেশের সরকারি প্রাথমিক, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রমজান, হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে টানা ছুটি ছিল। সেই ছুটি শেষে ২৭ মার্চ থেকে আবার ক্লাস শুরু হয়।






