আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালী ‘উন্মুক্ত রাখতে হবে’, ট্রাম্প-শি একমত: হোয়াইট হাউস

প্রাইম বাংলাদেশ ডেস্ক

শেয়ারঃ

হরমুজ প্রণালী ‘উন্মুক্ত রাখতে হবে’, ট্রাম্প-শি একমত: হোয়াইট হাউস- খবরের থাম্বনেইল ফটো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৃহস্পতিবার এক ‘সফল’ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ অবশ্যই ‘উন্মুক্ত রাখতে হবে’—এ বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালী হয়ে পরিবাহিত হয়।


ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অবাধ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালী অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে—এ বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।”


সামুদ্রিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’–এর তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপথে চীনের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের অর্ধেকেরও বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যার বেশির ভাগই হরমুজ প্রণালী হয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথে অচলাবস্থার কারণে চীন সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়ছে।


হোয়াইট হাউজ আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে বেইজিংয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।


অন্যদিকে, চীনের দাবি করা স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান নিয়ে দুই নেতার মধ্যে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি।


এর আগে চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু সঠিকভাবে মোকাবিলা করা না হলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে।


সম্পর্কিত খবর