আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সম্ভাবনা: তেলের দাম ৮০ ডলারের নিচে

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শেষের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে ঘিরে আশাবাদ বাড়ায় মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের অপরিশোধিত তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে, ফলে তেহরান দ্রুতই তেল ও পরিশোধিত পণ্য রপ্তানি শুরু করতে পারবে এই খবরের পর দাম আরও ৫ শতাংশের বেশি পড়ে যায়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৮.৯৬ ডলারে দাঁড়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৭৬.০৫ ডলারে নেমে আসে।
তেল খাতের বিশেষজ্ঞ ও শিপিং কোম্পানিগুলো সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে সময় লাগবে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাজার এখন আগের তুলনায় অনেক স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, কারণ যুদ্ধ চলমান থাকা বা প্রণালীর অনিশ্চিত বন্ধ অবস্থার তুলনায় পরিস্থিতি উন্নতির দিকে গেছে।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার ও দুটি কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে।
শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া-
এদিকে ওয়াল স্ট্রিটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ডাও সূচক টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছালেও এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও নাসডাকের দরপতন ঘটে।
ব্রিফিং ডটকমের বিশ্লেষক প্যাট্রিক ও’হেয়ার শেয়ারবাজারে এই ওঠানামাকে ‘রোটেশন’ বা বিনিয়োগ স্থানান্তর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলো ঊর্ধ্বমুখী ছিল আর এশিয়ার বাজারগুলো মিশ্রভাবে শেষ হয়।
ট্রেডিং গ্রুপ এক্সটিবি’র গবেষণা পরিচালক ক্যাথলিন ব্রুকস বলেছেন, ‘চুক্তিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত না হলেও, বাজারে ইতোমধ্যেই এর সুফল দেখা যাচ্ছে।’







