ক্যাম্পাস
নবীনদের প্রাণের উচ্ছ্বাসে মুখরিত সিকৃবি

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১, সেমিস্টার-১-এ ভর্তিকৃত নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন ওরিয়েন্টেশন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. এ এস এম গোলাম হাফিজ কেনেডি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী এবং সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সহ-সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের কৃষি গবেষণা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মেধাবী তরুণ-তরুণীরা নিজেদের দক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। গবেষণা ও আধুনিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ভাষা প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ সময়ের দাবি।"
সভাপতির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু পাঠ্যবইয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও দক্ষতা বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। র্যাগিংমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা, সফট স্কিল ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যেতে হবে। আধুনিক কেন্দ্রীয় ল্যাব, নতুন ছাত্রী হল, বাস ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করা হবে।"
আলোচনা পর্ব শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।







