ক্যাম্পাস

ইবির উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে নতুন দুই মুখ

ইবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

ইবির উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে নতুন দুই মুখ- খবরের থাম্বনেইল ফটো

বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইব) উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দা’ওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী।


সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০ এর ১১(ক) (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেনকে উপ-উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০ (সংশোধিত-২০১০)-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলীকে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


এ পদে তারা বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি পাবেন। পাশাপাশি ভোগ করবেন পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত ও ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।


নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী বলেন, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আমার উপর যে দায়িত্ব এসেছে আমি তা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।


উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মমতাজ হোসেন বলেন, আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি যিনি আমাকে এই দায়িত্বে আসীন হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি আমাকে পদের জন্য যোগ্য মনে করায় বর্তমান সরকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উপ-উপাচার্য পদটি মূলত উপাচার্যকে সহায়তা করার জন্য। আমি আমার এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পোঁছানোর জন্য আমরা একসাথে কাজ করব।


তিনি আরো বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল, আমি সেই উদ্দেশ্য বাস্তবয়নে কাজ করবো। বাংলাদেশে একটাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলাম ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে নীতিনৈতিকতা সমৃদ্ধ গ্রাজুয়েট তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠিত। আমি মনে করি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হলে বিশ্বমঞ্চে ইসলামকে সঠিকভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।


সম্পর্কিত খবর