ক্যাম্পাস

জুলাইগণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সিকৃবিতে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি

সিকৃবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

জুলাইগণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সিকৃবিতে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি- খবরের থাম্বনেইল ফটো

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।


কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২ আগস্ট জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়। ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ‘জুলাই ’২৪’ বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।


আজ ৫ আগস্ট কর্মসূচির শেষ দিনে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরে প্রশাসনিক ভবন থেকে কেন্দ্রীয় মিলনায়তন পর্যন্ত এক র‍্যালি বের হয়। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া এবং বেলা ২টায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।


আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, "জুলাই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে এক দফা দাবির আন্দোলনে রূপ নেয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিনে সৃষ্টি হয়নি; দীর্ঘ ১৭ বছরের শোষণ-বঞ্চনা, গুম, হত্যাকাণ্ড ও বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে এর জন্ম হয়েছে।"


তিনি রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসীমসহ সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করেন। উপাচার্য আরও বলেন, "১৯৭১ সালের ইতিহাস যেমন কোনো একক গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়, তেমনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকেও কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"


ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক এবং জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ. টি. এম. মাহবুব-ই-ইলাহী ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌল্লাহ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।


সম্পর্কিত খবর