ক্যাম্পাস
সিকৃবি অধ্যাপকের বইয়ে জাপানের জীবনদর্শন

বিটিভিতে প্রচারিত জাপানি সিরিয়াল ‘ওশিন’ দেখে যে মুগ্ধতার শুরু, এক দশকের প্রবাসজীবনে তা-ই রূপ নিয়েছে অভিজ্ঞতায়। সেই অভিজ্ঞতা এবার মলাটবন্দি হয়েছে ‘সূর্যোদয়ের দেশে’ বইয়ে।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) প্রক্টর ও কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুনের লেখা বইটি শব্দশৈলী প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর।
বৃস্পতিবার ( ১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় বইটির পুরো নাম ‘সূর্যোদয়ের দেশে: একজন বাংলাদেশী গবেষকের জাপান যাত্রা’। এটি কেবল ভ্রমণকাহিনি নয় ঘড়ির কাঁটার চেয়েও সময়নিষ্ঠ মানুষ, প্রযুক্তির শীর্ষে থেকেও মানবিক মূল্যবোধ ধরে রাখার গল্প উঠে এসেছে বইটিতে।
লেখক ড. রাশেদ আল মামুন জাপানের কুমামোতো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং কিউশু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্টডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে সেখানে স্পেশালি অ্যাপয়েন্টেড প্রফেসর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়ের জাপান-জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতাই বইটির উপজীব্য।
বইটিতে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থা, সামাজিক শৃঙ্খলাও জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। যারা উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে যেতে আগ্রহী, তাদের জন্য বইটি একটি গাইড হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বই প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মামুন বলেন, "নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে ওশিন দেখার পর থেকেই জাপানের প্রতি গভীর মুগ্ধতা তৈরি হয়। সেই মুগ্ধতা থেকেই জাপানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা।"
তিনি বলেন, "২০১৬ সালে জাপান থেকে ফিরে ঢাকায় জাপান দূতাবাসে একটি ইংরেজি প্রবন্ধ জমা দিয়েছিলাম। সেটি তাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেজে প্রকাশিত হয়। তখন মনে হলো, জমানো গল্পগুলো বই আকারে আনলে বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছাবে।"
লেখকের ভাষ্য, বইটির প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে পাঠকের জন্য একটি করে শিক্ষণীয় বার্তা রয়েছে। সব বয়সী পাঠকের জন্য উপযোগী করে বইটি লেখা হয়েছে। ডিজিটাল যুগে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের বই জ্ঞানের পরিধি ও ব্যক্তিত্ব এবং দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।






