ক্যাম্পাস
বিএনএমসি পরীক্ষায় যবিপ্রবির এনএইচএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের শতভাগ সাফল্য ও ডেঙ্গু সচেতনতার আয়োজন

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের (বিএনএমসি) কমপ্রিহেনসিভ পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স (এনএইচএস) বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এর আগে ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও একই পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় পর্বের শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান পরিচালনা করেছেন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে বিভাগটি। ধারাবাহিক এই সাফল্য বিভাগটির শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা ও নার্সিং শিক্ষায় অগ্রগতির পরিচায়ক।
অভিযানের অংশ হিসেবে যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মাঠপাড়া, বেলতলা, সাজিয়ালী ও আমবটতলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় ডেঙ্গুর সংক্রমণ, এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তকরণ, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা পানি অপসারণের গুরুত্ব তুলে ধরার মাধ্যমে জনসাধারণকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করা হয়।
এবিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কুলসুমা আক্তার বলেন, যবিপ্রবির এনএইচএস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং প্রোগ্রাম সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা কম্প্রিহেনসিভ পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছে। বিভাগটির ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছিল। ধারাবাহিক এই শতভাগ সাফল্য বিভাগ ও যবিপ্রবির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। আশা করছি, আমাদের তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া,গবেষণা ও পেশাগতভাবে আরো অনেক সাফল্য অর্জন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্নাতক পর্যায়ের নার্সিং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও দক্ষতা বিকাশের পরিধি কেবল শ্রেণিকক্ষ , ল্যাব ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি , রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা এবং কমিউনিটির কল্যাণে নিজেদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নার্সিং জনবল হিসেবে গড়ে উঠবে। ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ এবং একই সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পেশাগত মূল্যবোধের চর্চা করছে। আমি আশা করছি, এই উদ্যোগ কেবল আজকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।




