জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে বিশেষ বৈঠক করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।
বুধবার (২৫মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর নিজ দফতরে এই সভায় মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত আছেন।
এর আগে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এই কমিটি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় কৌশল নির্ধারণ করবে।
৯ মার্চ কমিটি গঠনের দিনই অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক বসেছে কিছুটা বিস্তৃত পরিসরে। কারণ, যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা সরকারের ভেতরে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সেই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করা যায় সেটা নিরূপণ করাই এই বৈঠকের লক্ষ্য।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন এবং তার কিছু দাফতরিক কাজ সারেন। পরে ডাক টিকেট উন্মোচন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদের সভা। বিকেল ৪টায় এই সভা হবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন প্রতি সাপ্তাহের বৃহস্পতিবার। এবার বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পড়ায় বৈঠকটি এগিয়ে আনা হয়েছে।







