জাতীয়
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন আগামীকাল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনে উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন আগামীকাল (৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা হতে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বুধবার এই নির্বাচনের বিষয়ে ইসি সচিবালায়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরিস্থিতি সন্তোষজনক।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন : বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের রিটানির্ং অফিসার মো. ফজলুল করিম বাসসকে জানান, এই আসনের উপ-নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
তিনি জানান, এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবিদুর রহমান নির্বাচন করছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক নিয়ে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
এই আসনে ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৩৫টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহন করা হবে। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন।
কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দু’টো আসনের সদস্য থাকার বিধান না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর এই আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।
শেরপুর-৩ আসনের রিটানির্ং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বাসসকে জানান, এই আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনিত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনিত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) একজন প্রার্থী কাঁচি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
এ আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহন করা হবে। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে ইসি। পরবর্তীতে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়।







