জাতীয়
এনসিপির সমর্থিত ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর আত্মপ্রকাশ

ঢাকায় দলিত, হরিজন, তফসিলি ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সমর্থিত নতুন সংগঠন ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ডেভিড রাজুকে আহ্বায়ক এবং কৈলাশচন্দ্র রবিদাসকে সদস্যসচিব করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
শনিবার (২ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নামও ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রাজেন্দ্র কুমার দাস, যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক বরাই, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব অরুণা রানী দাস, যুগ্ম সদস্যসচিব নিপু দাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় দাস রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আখতার হোসেন, যিনি এনসিপির সদস্যসচিব এবং রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হলেও দলিত, হরিজন ও তফসিলি জনগোষ্ঠী এখনো কাঙ্ক্ষিত সামাজিক ন্যায়বিচার থেকে পিছিয়ে রয়েছে।
তিনি এসব জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক জনসংখ্যা জরিপ ও তথ্যভিত্তিক নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান এবং রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
আখতার হোসেন আরও বলেন, গ্রামাঞ্চলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সামাজিক মর্যাদাহীনতার উদাহরণ এখনও বিদ্যমান। অনেক স্থানে তারা কাজ শেষে সাধারণ হোটেলেও বসে খেতে পারেন না—এ ধরনের বৈষম্য এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এই জনগোষ্ঠীকে রাজনীতিতে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা হলেও তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
অনুষ্ঠানে এনসিপি ও নবগঠিত জনজাতি জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।







