আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইলের হামলা

প্রাইম বাংলাদেশ ডেস্ক

শেয়ারঃ

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইলের হামলা - খবরের থাম্বনেইল ফটো

দক্ষিণ লেবাননজুড়ে শনিবার ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।


লেবাননে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও নিয়মিত হামলার ঘটনা ঘটছে। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে।


খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার বেশ কয়েকটি এলাকায় হিজবুল্লাহর কমপক্ষে ৭০টি সামরিক স্থাপনা এবং ৫০টি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে টায়ার জেলার সাম্মাইয়েহ শহরে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন।


এর আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণের নয়টি গ্রাম খালি করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করে।


অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ দাবী করেছে, যুদ্ধবিরতি ‘লঙ্ঘনের’ জবাবে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে তারা একাধিক হামলা চালিয়েছে।


গত ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। অথচ এই যুদ্ধবিরতি ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে করা হয়েছিল।


চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘পরিকল্পিত, আসন্ন বা চলমান হামলার’ বিরুদ্ধে তেল আবিবকে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে।


শনিবার লেবাননের সেনাপ্রধান রদলফ হায়কাল সফররত মার্কিন জেনারেল জোসেফ ক্লিয়ারফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পাঁচ সদস্যের কমিটির প্রধান জনারেল ক্লিয়ারফিল্ড। ওই যুদ্ধবিরতি ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সর্বশেষ যুদ্ধ থামাতে সই করা হয়েছিল।


বৈঠকে লেবাননের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আঞ্চলিক পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি এবং কমিটির কার্যকারিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। 


গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইরানের সমর্থনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর থেকে ইসরাইলের হামলায় লেবাননে ২,৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।


সম্পর্কিত খবর