ক্যাম্পাস
ইবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ শুরু হয়েছে। সোমবার (০৪ মার্চ) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অ্যাথলেটিক্স মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তালন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম। গেস্ট অব অনার ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আব্দুল মজিদ।
এ সময় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের টিম প্রধানগণ নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলসমূহের কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন।
তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ জনকে দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে আমরা ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে আমরা এই ক্রীড়া ভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করবো। তৃণমূল থেকে খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করতে, উজ্জীবিত করতে এবং খেলোয়াড়দেরকে পেশাদারিত্বের ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
তিনি আরো বলেন, আগামীর বাংলাদেশে আমরা খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পারিবারিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। সেই গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যম হবেন আপনারা যারা এখানে খেলোয়াড় হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছে। আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক ও ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে চাই। এবং সেই ডিভাইস থেকে দূরে রাখার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রতিটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে আমরা হাইস্কুল সর্বোচ্চ পর্যায়ে আমরা খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি এবং সেখানেও আপনাদের যারা স্পোর্টস নিয়ে পড়াশোনা করছেন বা স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন সেখানেও আমরা প্রতিটি উপজেলায় বিষয়ভিত্তিক ওই ক্রীড়া অফিসারের অধীনে আমরা প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক আমরা ক্রীড়া শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হবে ইতিমধ্যে সে বিষয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ এবং সচিব মহোদয়দের সাথে আমরা বসে আলোচনা করেছি।
আমরা আশা করি যে আগামীর বাংলাদেশে আমাদের যে রাজনৈতিক যে চর্চা রয়েছে, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার যে কিছু পরিবেশ পরিস্থিতি আমরা গত ১৭ বছর দেখেছি, সেই ১৭ বছরে সেই দুঃশাসন থেকে আমরা ফিরে এসে একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ আমরা তৈরি করতে চাই। এবং সেই শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশের অন্যতম মাধ্যম হবে খেলাধুলা।




