সারাদেশ
নেত্রকোণায় ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে

জেলার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরের (৩৫) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নেত্রকোণার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহসিনা ইসলাম এই আদেশ দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাড. নূরুল কবির রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ অভিযুক্তের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে মদন থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিল।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আমানউল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
তিনি ২০২২ সালে ‘হযরত ফাতেমাতুজ যাহরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা’ প্রতিষ্ঠা করে সেখানে শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক সাগর ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ধর্ষণের ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
গত ১৮ এপ্রিল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-১৪ এর একটি দল সাগরকে গ্রেপ্তার করে। পরে বুধবার বিকেলে তাকে নেত্রকোণা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পিপি এ্যাড. নূরুল কবির রুবেল জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর প্রাথমিকভাবে র্যাব ও পুলিশের কাছে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিন দিনের এই রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।







