জাতীয়

এসপিদের কাছে যা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক

শেয়ারঃ

এসপিদের কাছে যা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী- খবরের থাম্বনেইল ফটো

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার (এসপি) ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের নির্ধারিত কার্যক্রম শেষে আকস্মিকভাবে তিনি শাপলা হলের তৃতীয় তলায় উপস্থিত হয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।


অনুষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, সকালে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আইজিপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে পৃথকভাবে বিভিন্ন তলায় আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।


আপ্যায়ন চলাকালে তৃতীয় তলায় অবস্থানরত এসপি ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের সঙ্গে হঠাৎ করে দেখা দেন প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং পুলিশের শীর্ষ নেতৃত্ব।


হঠাৎ উপস্থিতিতে সেখানে কিছুটা নীরবতা নেমে আসে। পরে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাদের খোঁজখবর নেন এবং বসার অনুরোধ করেন। তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সরকারি কাজে নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


তিনি বলেন, সরকারি কাজে রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব না রেখে সবাইকে দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে—এমন প্রত্যাশার কথাও তিনি তুলে ধরেন।


পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্যও একটি নিরাপদ রাষ্ট্র অপরিহার্য।


এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা সমস্বরে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিদায় নেন।


পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের বাইরে এ ধরনের সরাসরি ও অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় তাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক এবং মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক বার্তা দেয়।


সম্পর্কিত খবর