জাতীয়

আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা

ডেস্ক

শেয়ারঃ

আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা- খবরের থাম্বনেইল ফটো

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী এক বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত এ ঘোষণা কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়।


শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তারেক রহমান।


অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় জীবনে বাংলাদেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও কর্ম অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।


তারেক রহমান আরও বলেন, কবি নজরুলের জীবন ও কর্ম বিশ্বসাহিত্যে আরও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর জীবনবোধ ও দর্শন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও পর্যটন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান।


তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিচ্ছেদ্য সত্তা। তিনি আমাদের জাতীয় চেতনা, জাতীয় সত্তা ও জাতীয়তাবাদের প্রতীক।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন ত্রিশালের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান। স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর।


বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবিপৌত্রী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খিলখিল কাজী এবং ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম। আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ, এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান প্রমুখ।


অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।


পরে কবি নজরুল গবেষণা ও তাঁর জীবন-দর্শনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুইজন গুণীজনকে নজরুল পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে ‘নজরুল স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন তারেক রহমান।


সবশেষে তিনি অতিথিদের সঙ্গে বসে কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।


সম্পর্কিত খবর