জাতীয়
আদ্–দ্বীন হাসপাতাল ইস্যুতে স্বাস্থ্য অধিদফতরে বিদেশি ইন্টার্নরা

রাজধানীর মগবাজারের আদ্–দ্বীন মেডিকেল কলেজটির হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সেখানে কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে ও ইন্টার্নশিপের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের গিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বিদেশি ইন্টার্ন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরে (ডিজিএইচএস) গিয়ে পৌঁছায়। প্রতিনিধি দলে ভারত ও মালদ্বীপের শিক্ষার্থীরা ছিলেন, যারা বর্তমানে এই মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করছেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের নিজ নিজ দেশের নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর অনুমোদিত হাসপাতালেই ইন্টার্নশিপ শেষ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু হঠাৎ হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। এর ফলে তাদের চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধন (Registration) পাওয়া এবং ভবিষ্যতে রোগী দেখার আইনি প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আদ্–দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ৩০ জনেরও বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপ করছেন। আর প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ইন্টার্ন শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে ৩শ’রও বেশি।
তবে আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরে গিয়ে মহাপরিচালককে (ডিজি) কার্যালয়ে পাননি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মহাপরিচালক উপস্থিত না থাকায় প্রতিনিধি দলটি পরবর্তীতে সহকারী পরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং তাদের বর্তমান সংকট ও দাবিগুলো তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানায়।
এর আগে গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতক মারা যায়। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ ছাড়া আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানাতে প্রতিষ্ঠানটির মালিক শেখ মহিউদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এ জন্য তাঁকে ৭ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের পক্ষে এই নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১১ জুন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।







