জাতীয়
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার সম্পর্কে নতুন অধ্যায় রচনার প্রত্যাশা

অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমৃদ্ধি, আঞ্চলিক শান্তি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ।
সফররত প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আমাদের অতিথি হওয়ার জন্য এবং এত বড় একটি পরিবারের অংশকে (প্রতিনিধিদল) সাথে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনি অত্যন্ত আন্তরিক এবং সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। আমি আশা করি আমাদের এই পারিবারিক বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
অন্যদিকে তারেক রহমান বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আজকের এই আলোচনা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসে তারেক রহমান বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি।
আমরা একমত হয়েছি যে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং শ্রমিকদের ব্যয় হ্রাস পায়।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, তার (তারেক রহমান) অকপটতা এবং আমাদের অভিন্ন সংকল্পের প্রতি তার প্রতিশ্রুতিকে আমি সাধুবাদ জানাই। হ্যাঁ, আমাদের কর্মী প্রয়োজন, এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের কর্মী এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ।
কর্মীদের অবিরত শোষণ, তাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং নিছক ব্যক্তিগত বা কোম্পানির লাভের জন্য তাদের ব্যবহার করা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। ব্যক্তিগতভাবে এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও তিনি যে মনোভাব ব্যক্ত করেছেন, আমি তার আন্তরিক প্রশংসা করি।







