আন্তর্জাতিক
গাজায় ত্রাণ কার্যক্রমে হামাসের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ জাতিসংঘের

ছবি : সংগৃহীত
জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমে হামাস বাধা দিচ্ছে ও ত্রাণকর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ত্রাণ কার্যক্রম দিন দিন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ইসরাইলি বাহিনী গাজার ৬০ শতাংশের বেশি এলাকায় উপস্থিতি বাড়ালেও ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থি সংগঠন হামাস এখনও ভূখণ্ডটির কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের উপ- বিশেষ সমন্বয়কারী রামিজ আলাকবারভ বলেন, গাজার কার্যত নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মানবিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে তিনি ‘জোরালোভাবে’ নিন্দা জানাচ্ছেন। তিনি এ ক্ষেত্রে হামাসকে ইঙ্গিত করেন।
তিনি বলেন, হামাসের কর্মকাণ্ড ‘মানবিক সহায়তাকর্মীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, জীবনরক্ষাকারী খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়েছে এবং জীবনরক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রম ব্যাহত করেছে।’
জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার হামাস-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র ব্যক্তিরা গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়ায় একটি খাদ্য বিতরণকেন্দ্রে জোরপূর্বক প্রবেশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তারা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) একটি গুদামেও প্রবেশ করে এবং মানবিক সহায়তা বহনকারী দুটি ট্রাকের চালককে মারধর করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
আলাকবারভ বলেন, ‘এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়।’ এগুলো ভয়ভীতি, সহিংসতা ও মানবিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার ক্রমবর্ধমান বিপজ্জনক প্রবণতার প্রতিফলন। এর মধ্যে চোরাচালানের চেষ্টা, মানবিক কার্যক্রমকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং ত্রাণ কার্যক্রমে অপব্যবহারের ঘটনাও রয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছে দেওয়া ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় তাদের উপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে গাজা পরিচালনাকারী হামাস গত সপ্তাহে তাদের ১৫ সদস্যের প্রশাসনিক সংস্থা বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।







