জাতীয়

সপরিবারে ভোট দিলেন তারেক রহমান: আইনশৃঙ্খলা পুনর্গঠনের অঙ্গীকার

ডেস্ক

শেয়ারঃ

সপরিবারে ভোট দিলেন তারেক রহমান: আইনশৃঙ্খলা পুনর্গঠনের অঙ্গীকার- খবরের থাম্বনেইল ফটো

বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বিষয়ক গণভোটে সপরিবারে ভোট প্রদান করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোট দেন।


একই কেন্দ্রে ভোট দেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এছাড়া প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি এবং তাঁর দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাশিয়াও একই কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন।


ভোটগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপকালে তারেক রহমান বলেন, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রে ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা অগ্রাধিকার পাবে। তিনি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশ গণতন্ত্রের সঠিক ধারায় এগিয়ে যেতে পারে।


ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স. ম. খালিদুজ্জামান, জাতীয় পার্টির আতিক আহমেদ, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ উল্লাহসহ অন্যান্য প্রার্থীরা। তবে নির্বাচনের আগের দিন চারজন প্রার্থী তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।


নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭০৯, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন।


সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনের ৪২ হাজার ৯৫৮টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।


দীর্ঘ সময় পর জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করবে।


আজকের ভোটে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পর্কিত গণভোটেও জনগণ তাদের মতামত প্রদান করছেন, যা ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র কাঠামো ও নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।


সম্পর্কিত খবর