আন্তর্জাতিক
গাজায় সংঘর্ষ ও ইসরাইলি হামলায় নিহত ১০

গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলের কাছে সংঘর্ষ ও ইসরাইলি বিমান হামলায় সোমবার অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় একটি হাসপাতাল এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
ঘটনাটি কেন্দ্রীয় গাজার আল-মাগাজি শরণার্থী শিবিরের পূর্ব পাশে ঘটে। এতে বিপুল সংখ্যক মানুষ আহত হয়েছে।
আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল জানায়, আহতদের মধ্যে ছয় জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। ওই যুদ্ধবিরতির ফলে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অনেকটাই থেমে ছিল।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থাও নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
একজন ফিলিস্তিনি প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানান, ঘটনাটির শুরু হয় হামাস বিরোধী একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ দিয়ে। ওই গোষ্ঠীটি ইসরাইলের সমর্থনপুষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে।
তারা কয়েকজন বাসিন্দাকে গ্রেফতার করতে সেখানে আসে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি বলেন, বাসিন্দা ও হামাস সদস্যরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও জানান, এর কিছুক্ষণ পরই ইসরাইলি বাহিনী স্কুলের আশপাশে বোমা হামলা চালায় ও ভারী গুলিবর্ষণ শুরু করে।
এ বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।
হামলা ও সংঘর্ষ, কোনটিতে কতজন নিহত হয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইসরাইল ও হামাস পরস্পরকে দায়ী করে আসছে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। তাদের দাবি, এ সব হামলায় হামাসের যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে অন্তত ৭২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এ পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী একই সময়ে গাজায় নিজেদের পাঁচজন সেনা সদস্য নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে।







