আন্তর্জাতিক
'আলোচনার আগে' লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানালেন ইরানের স্পিকার

ইরানের সংসদের স্পিকার গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে যে বিষয় নিয়ে আগে সমঝোতা হয়েছিল, তার মধ্যে দুটি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
তাই আলোচনা শুরুর আগেই এই শর্তগুলো পূরণ করতে হবে বলে জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্মত হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসলামাবাদে যাওয়ার জন্য বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই গালিবাফ এই ঘোষণা দেন।
গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি পাকিস্তানের রাজধানীতে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সতর্ক করে বলেন, ‘যদি তারা আমাদের সাথে চালাকি করার চেষ্টা করে বা প্রতারণামূলক আচরণ করার চেষ্টা করে, তবে আলোচনাকারী দল তা মেনে নেবে না।
গত বুধবার যুদ্ধবিরতি প্রথম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ইরান দাবি করে আসছে যে, এতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত ছিল। গত মার্চের শুরু থেকে লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধে লেবাননে প্রায় ১,৯০০ জন নিহত হয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, লেবানন এই চুক্তির অংশ ছিল এবং ওয়াশিংটনের কাছে উপস্থাপিত ইরানের ১০-দফা শান্তি পরিকল্পনায় এটি তাদের অন্যতম একটি দাবি ছিল।
কিন্তু হোয়াইট হাউস দুই সপ্তাহের এই চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেছে, অন্যদিকে ভ্যান্স বুধবার এটিকে একটি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং তেহরানের সাথে এর ‘কোনো সম্পর্ক নেই’ বলে অভিহিত করেছেন।
জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করাকে এর আগে প্রকাশ্যে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি, যদিও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের ১০টি দাবির মধ্যে অন্যতম।







