ক্যাম্পাস

রাবির ইতিহাস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ সম্মেলন

রাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

রাবির ইতিহাস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ সম্মেলন- খবরের থাম্বনেইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইতিহাস বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইতিহাস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম।


সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে মিলনায়তনে উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।


সম্মেলনে অংশ নিতে আসা ১৯৯১–১৯৯২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রায়ই এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করি। এখানে পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, সবাই মিলে দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করি। যেহেতু এ্যালামনাই অনুষ্ঠানটি দুই বছর পরপর হয়, তাই আমি চাই এটি প্রতিবছরই আয়োজন করা হোক, তাহলে সবার সঙ্গে আরও নিয়মিত দেখা হবে।”


ইতিহাস বিভাগের সভাপতি ও রাবি ইতিহাস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শেরেজ্জামান বলেন, “আজ আমাদের ইতিহাস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি পথিকৃৎ সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা এবং অসচ্ছল ও অসহায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।”


দিনব্যাপী নানা কার্যক্রম, সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ও স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ইতিহাস বিভাগের এই সম্মেলন। অনুষ্ঠানটি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের মধ্যে প্রজন্ম-সংযোগ ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন তৈরি করে।


ওমর বীন কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. শরিফ উদ্দিন আহমেদ। অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন।


এছাড়া ইতিহাস বিভাগের সাবেক ও বর্তমান প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


সম্পর্কিত খবর