জাতীয়
রাজধানীতে ‘বড়াইবাড়ি বিজয় দিবস’ পালিত

রাজধানীতে বড়াইবাড়ি যুদ্ধের স্মরণে ‘বড়াইবাড়ি বিজয় দিবস’ উপলক্ষে সমাবেশ করেছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, বেলা ১১টায় রাজু ভাস্কর্যে বড়াইবাড়ি যুদ্ধকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘জাতীয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়ে মানববন্ধন করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।
বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান রাজনৈতিক দলগুলোর নির্লিপ্ততার কড়া সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি যদি বিন্দুমাত্র দায়বদ্ধতা থেকে থাকে, তবে বিএনপি ও জামায়াতসহ সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তির উচিত এই 'মহাপ্রতিরোধ দিবস' যথাযথভাবে পালন করা।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই ঐতিহাসিক দিবস উদযাপনে অনীহা দেখালে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করে দেবে যে—তারা রাজনীতির আড়ালে ভিনদেশি আধিপত্যবাদেরই প্রতিনিধিত্ব করছে। মূলত দেশপ্রেমের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিকভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের বড়াইবাড়ি সীমান্তে বিএসএফের অনুপ্রবেশের ফলে বিডিআর ও স্থানীয়দের সাথে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। সিলেটের পদুয়া সীমান্তের উত্তেজনার জেরে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ে বিডিআর ও গ্রামবাসী সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে ১৬ জন বিএসএফ এবং ২ জন বিডিআর সদস্য নিহত হন। পরবর্তীতে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হলেও বিডিআরের ভূমিকা ও সরকারের অবস্থান নিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও নানা আলোচনা বজায় থাকে। এটি বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষার ইতিহাসে অন্যতম এক সাহসী ঘটনা হিসেবে পরিচিত।







