জাতীয়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আধাসামরিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে । আজ বুধবার (২৯শে এপ্রিল) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি'র প্লাটুনে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনসিসির ময়নামতি রেজিমেন্টের সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ও প্লাটুন কমান্ডার অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম, প্লাটুনের বর্তমান সিইউও মহিমা আক্তার, সাবেক সিইউও মো. সামিন বখশ সাদী, বর্তমান ক্যাডেট সার্জেন্ট মো. শাহিন মিয়াসহ বর্তমান এবং সাবেক ক্যাডেটবৃন্দ।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের প্লাট ইনচার্জ ক্যাডেট সার্জেন্ট আবু বকর সিদ্দিক বলেন, "২০০৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে আজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুন ১৮তম বছরে পদার্পণ করেছে। এত বছরে যারা কুবি বিএনসিসি প্লাটুনকে আগলে রেখে নতুন নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে প্লাটুনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তাদের অবদান অনস্বীকার্য। শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের এই অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে যাক এই প্রত্যাশা রইলো। "
ক্যাডেট আন্ডার অফিসার মহিমা আক্তার বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনসিসির মহাপরিচালক, উপ-পরিচালকবৃন্দ, অন্যান্য স্তরের অফিসারবৃন্দ, সকল রেজিমেন্টের রেজিমেন্ট কমান্ডার ও এডজুটেন্টবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, সামরিক প্রশিক্ষকবৃন্দ, পিইউও, টিইউও সহ সকল ক্যাডেট, এক্স ক্যাডেটদেরকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুন এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সবাই দোয়া করবেন যেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুন সামনে আরো এগিয়ে যেতে পারে এবং দেশের তরে,মানুষের তরে কাজ করে যেতে পারে।"
প্লাটুন কমান্ডার এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন, " বিএনসিসির কুবি প্লাটুন হাঁটি হাঁটি পা পা করে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংগঠন হিসেবে আমরা আজকে আঠারো বছরে পদার্পণ করেছি। সুতরাং বেশ লম্বা একটা জার্নি আমরা তৈরি করে ফেলেছি। আমাদের বেশ কিছু সাফল্য ও অর্জন আছে। অবশ্য আশা তো ছিল আরও অনেক বড়। তারপরও এই অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের অনেকগুলা বড় বড় মাইলফলক আছে। তোমাদের আন্তরিক একাগ্রতা এবং চেষ্টা সংগঠনটাকে ধরে রেখেছে এবং আমি এইটাই আশা করব যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ দিন পর্যন্ত আমি থাকব না, আমরা থাকব না, কিন্তু এই সংগঠন একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অব্যাহত থাকবে। এইটা তোমাদের মাধ্যমে যেভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে যেগুলো সঞ্চারিত হচ্ছে, সেটা যাতে অব্যাহত থাকে এবং সৌহার্দ্যটা যেন বজায় থাকে।"







