আরও

প্রাইম বাংলাদেশ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অর্থ ফেরত দিলেন ইবির কম্পিউটার অপারেটর

ইবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

প্রাইম বাংলাদেশ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অর্থ ফেরত দিলেন ইবির কম্পিউটার অপারেটর- খবরের থাম্বনেইল ফটো

অভিযুক্ত বাদশা আলমগীর

চাকুরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ওঠা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর বাদশা আলমগীর সেই অর্থ ফেরত দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী শাহীন আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে, গত ১৫ মে রাতে কুষ্টিয়ার বৃত্তিপাড়ার রঞ্জিতপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহীন আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ করেন, তাকে ইবিতে পিয়ন পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে প্রথমে ৪ লাখ টাকা দাবি করেন কম্পিউটার অপারেটর বাদশা আলমগীর। পরে তাদের মধ্যে ৩ লাখ টাকায় এটির সমঝোতা হয়।


চুক্তি অনুযায়ী, শাহীন আলম তার শ্বশুরের মাধ্যমে কম্পিউটার অপারেটর বাদশা আলমগীরের হাতে ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪-৫ দিন কাজও করেন। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, তাকে যে চাকুরিটি দেওয়া হয়েছে সেটি পিয়ন পদ নয়, বরং দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরিভিত্তিক (ডেইলি লেবার) কাজ।


বিষয়টি জানতে পেরে শাহীন আলম বাকি ১ লাখ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পূর্বে প্রদানকৃত ২ লাখ টাকা ফেরত চান। এসময় বাদশা আলমগীর টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং শাহীন আলমের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিজের কাছে রেখে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


তবে অভিযুক্ত বাদশা আলমগীর তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি তার চাকুরির বিষয়ে কিছুই জানি না।


এ বিষয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘প্রাইম বাংলাদেশ নিউজ’ এ ‘চাকুরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইবির কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে’ শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে ক্যাম্পাসে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত বাদশা আলমগীর ভুক্তভোগীর টাকা ফেরত দেন বলে জানা গেছে।


টাকা ফেরত পাওয়ার পর ভুক্তভোগী শাহীন আলম বলেন, পারিবারিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি অর্থ ফেরত দিয়েছে। আপনাদের (সাংবাদিক) কারণে টাকাটা ফিরে পেলাম। আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


সম্পর্কিত খবর