জাতীয়

‎ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে জাহাজ চলাচল মনিটরিং করা হচ্ছে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মোহন খোন্দকার

শেয়ারঃ

‎ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে জাহাজ চলাচল মনিটরিং করা হচ্ছে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী- খবরের থাম্বনেইল ফটো

বাংলাদেশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেছেন, “আমরা জাহাজ মালিকদের সঙ্গে কথা বলে গত বছরের তুলনায়  এ বছর প্রায় ১০ শতাংশ কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়াও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে জাহাজ ঘাটে ফেরা এবং ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।”

‎শনিবার (২৩ মে) বিকেলে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

‎নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে লঞ্চে ওঠানামার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে নদীপথে নতুন চারটি লঞ্চ যুক্ত করা হয়েছে এবং সি-ট্রাক নিয়মিত চলাচল করছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে প্রতিটি লঞ্চে ডিজিটাল ভাড়া চার্ট ও সময়সূচি প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ যাত্রীদের জন্য নামাজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।”

‎তিনি আরও বলেন, “মাঝপথে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী ওঠানামা বন্ধে টার্মিনালের দুই পাশে স্থায়ী ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে কাজ করবে, যাতে কোনো যাত্রী টার্মিনাল ছাড়া অন্য কোথাও থেকে লঞ্চে উঠতে বা নামতে না পারে।বিআইডব্লিউটিএ’র কন্ট্রোল রুমের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ ঘাট ছাড়তে বা ঘাটে ভিড়তে পারবে না।”

‎পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে তিনি বলেন, “টার্মিনাল আরও পরিষ্কার রাখা হবে। ওজুর জন্য আলাদা ব্যবস্থা ও পানির সুবিধা রাখা হয়েছে। যাত্রীদের তথ্যসেবার ব্যবস্থাও থাকবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “গতবারের মতো এবারও ট্রলি সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থায়ী ট্রলি ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীদের আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। ঈদের আগে পাঁচ দিন এবং পরে পাঁচ দিন এই সেবা চালু থাকবে। অসুস্থ ও বয়স্ক যাত্রীদের জন্য ট্রলি, হুইলচেয়ার, চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবক টিম কাজ করবে।”

‎সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী লঞ্চ মালিক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি যাত্রীসেবার মান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

‎এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সম্পর্কিত খবর