আন্তর্জাতিক

জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা ইরানের

ডেস্ক

শেয়ারঃ

জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা ইরানের- খবরের থাম্বনেইল ফটো

ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে ইরানের ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।


রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এই জোরালো পাল্টা আঘাত করা হয়েছে। এছাড়াও জর্ডানের আজরাক সামরিক ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।


জর্ডানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বুশেহরে অবস্থিত দেশটির একমাত্র বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।


রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র পরমাণুকেন্দ্রের সীমানায় আঘাত হেনেছে। তবে পারমাণবিক চুল্লি ও মূল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে এবং কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।


ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে যোগ দেবে না ইতালি: মেলোনি


বুশেহরের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান নিশ্চিত করেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ওপর হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই নাগাদ এই হামলাটি চালানো হয়।


আরেক সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের চোগাদাক এলাকার বাসিন্দারাও বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।


এহসান জাহানিয়ান আরও জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও চোগাদাক শহরের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি মাছ ধরার জেটিও হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।


এরআগে বুধবার রাতে দ্বিতীয় দফায় ইরানে হামলা করে মার্কিন বাহিনী।


বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় বুধবার রাতে ৯০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনঘাঁটি, উপকূলীয় নজরদারি এবং সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা।


সম্পর্কিত খবর