ক্যাম্পাস
মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম জবি শিবিরের অর্থ সম্পাদক

মাস্টার্স পরীক্ষায় ৩.৮১ সিজিপিএ অর্জন করে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক সোহাগ আহমেদ। সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষের এ অর্জন ক্যাম্পাসে প্রশংসিত হয়েছে।
সোহাগ আহমেদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
সোহাগ জানান, "সাধারণ পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে ওঠায় শুরুতে উচ্চশিক্ষা বিষয়ে পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা পাননি। তবে বাবা-মায়ের উৎসাহ এবং ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও সিনিয়রদের পরামর্শ তাঁর শিক্ষাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০১৬ সালে স্কুলজীবনে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি ব্যক্তিগত উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ ও একাডেমিক উৎকর্ষকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যান। ২০২০ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর একদিকে একাডেমিক চাপ, অন্যদিকে সাংগঠনিক দায়িত্ব দুই ক্ষেত্রই সামলাতে হয়েছে তাঁকে।"
তিনি আরও বলেন, “শিবির এমন একটি ছাত্রসংগঠন, যেখানে রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, ব্যক্তিত্ব গঠন ও আত্মউন্নয়নের বিষয়গুলো এখানে নিয়মিত চর্চা করা হয়। তাই সংগঠন করেও ভালো ফল করা সম্ভব এর অনেক উদাহরণ রয়েছে।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সোহাগ আহমেদ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। সময়কে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে। শুধু ভালো ফল করাই নয়, দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর সবসময় ন্যায়, ইনসাফ ও সত্যের পক্ষে থাকা উচিত।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আপাতত দেশে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজছি। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতে বিদেশে যাওয়ারও ইচ্ছা রয়েছে। তবে যেখানেই থাকি না কেন, নিজের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চাই।”







