ক্যাম্পাস
চার দফা দাবিতে গোবিপ্রবিতে অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ছবি : মো: রেজাউল করিম
চার দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছেন। কর্মসূচিতে অনুষদের শিক্ষকবৃন্দও সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কম্বাইন্ড ডিগ্রি (B.Sc. Vet. Sci. & A.H.) চালুর মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিরসন করতে হবে। অন্যথায় এ ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হবেন।
তাদের প্রথম দাবি, কম্বাইন্ড ডিগ্রির জন্য বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় পৃথক কোড চালু করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় স্বতন্ত্র কোড (৬৪৭) থাকলেও লিখিত পরীক্ষায় কোনো স্বতন্ত্র কোড না থাকায় প্রার্থীদের ডিভিএম (৮৪১) অথবা পশুপালন (৮৩১) ক্যাডারের যেকোনো একটির জন্য আবেদন করতে হচ্ছে। এতে কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
দ্বিতীয় দাবিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, (বিএলআরআই), সহ প্রাণিসম্পদ খাতের যেসব প্রতিষ্ঠানে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীরা আবেদনের যোগ্য, সেসব পদের নিয়োগবিধিতে এ ডিগ্রিকে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাদের দাবি, কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীরা পশুচিকিৎসা ও পশুপালন—উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে দক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট পদে কাজ করার যোগ্য।
এছাড়া ইন্টার্ন ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের ভাতা ইন্টার্ন এমবিবিএস চিকিৎসকদের ভাতার সমপর্যায়ে উন্নীত করার পাশাপাশি যাতায়াত ভাতা (টিএ) ও দৈনিক ভাতা (ডিএ) চালুর দাবিও জানান আন্দোলনকারীরা।
চতুর্থ দাবিতে শিক্ষার্থীরা ৪৭তম বিসিএসে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারী ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে একজনও প্রফেশনাল ক্যাডারে সুপারিশ না পাওয়ার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। তাদের মতে, লিখিত পরীক্ষায় স্বতন্ত্র কোড না থাকায় কারিগরি ত্রুটির কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার দাবি জানান তারা।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের স্বার্থেই দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত। অন্যথায় দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।







