জাতীয়
সুনামগঞ্জে হাওরে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নির্দেশনা

ছবি : সংগৃহীত
হাওরে সতর্কতার সঙ্গে পর্যটকদের পরিবহন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুনামগঞ্জ জেলা এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি এলাকায় অতি বৃষ্টির ফলে সুরমা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জেলার হাওরাঞ্চল ও নদীপথে নৌযান চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জেলার সব হাউসবোটের মালিক, চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাতটি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
জেলা প্রশাসনের নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভারী বৃষ্টি, দমকা হাওয়া বা নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করলে কোনো অবস্থাতেই পর্যটক নিয়ে যাত্রা করা যাবে না। প্রতিটি হাউসবোটে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সংখ্যক মানসম্মত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং এবং অন্যান্য জরুরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন সম্পূণভাবে পরিহার করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, হাওরে যাত্রা শুরুর আগে পর্যটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বা স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজন মনে করলে হাউসবোট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ মানতে হবে।
প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বর্ষা মৌসুমে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। তাদের অনেকে হাওরে নৌকায় রাত যাপন করেন। পর্যটকরা টাঙ্গুগুয়ার হাওরের পাশাপাশী নিলাদ্রী লেক, লাকমা ছড়া, বারিকটিলা, যাদুকাটা নদী ও শিমুলবাগান ঘুরে দেখেন।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মেহেদী হাসান হৃদয় জানান, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।







