ক্যাম্পাস
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

বর্ণাঢ্য আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ আর প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) উদযাপন করল তার ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই যাত্রা শুরু করা এই বিদ্যাপীঠ ১১ বছরের গৌরবময় পথচলা পেরিয়ে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পদার্পণ করল ১১তম বর্ষে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয় সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। এরপরই উৎসবে মাতে পুরো ক্যাম্পাস। আয়োজনের তালিকায় ছিল স্বেচ্ছায় রক্তদান, আন্তঃঅনুষদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণী। শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান বলেন, "স্বল্প সময়েই খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণায় একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এটি দ্রুতই পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।" তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হয়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং ক্যাম্পাসের অবকাঠামো উন্নয়নসহ সব কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
ট্রেজারার প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান বলেন, "খুকৃবিকে উদ্ভাবন, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার এক আধুনিক জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন দক্ষ তরুণ প্রজন্মই দেশের উন্নয়নের মূল শক্তি, আর সেই লক্ষ্য পূরণে এই বিশ্ববিদ্যালয় রেখে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।"
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আধুনিক কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে খুকৃবি। ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার মাঝে নতুন উদ্দীপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রত্যয় আরও সুদৃঢ় করেছে।







