খেলাধুলা
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের

ছবি : সংগৃহীত
প্রথম ম্যাচ হেরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে সফরকারী বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে হলে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আবারও জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।
ফেভারিট হিসেবে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করে একমাত্র টেস্ট ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারে টাইগাররা।
এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে সিরিজ জয়ের শেষ সুযোগ হিসেবে বাকী ছিল- টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৩২ রানে হেরে যায় তাওহিদ হৃদয়ের দল।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিও হারলে এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারের লজ্জা পাবে বাংলাদেশ। যা জিম্বাবুয়ে মাটিতে বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক অধ্যায় হয় থাকবে। তবে আগের ম্যাচে ব্যর্থতাকে শুধরে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া বাংলাদেশ।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের টার্গেট স্পর্শ করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৩০ রান তুলে জয়ের লড়াইয়ে টিকে ছিল বাংলাদেশ। এরপর মাত্র ১৪ বল ও ৮ রানের ব্যবধানে শেষ ৫ উইকেট পতনে হার বরণ করে নেয় টাইগাররা।
চার বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ৩৮ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ইয়াসির আলি। ইয়াসিরের আউটের পর ব্যাটিং ধসে ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন মাহেদি হাসান।
এর আগে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা। ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন তিনি। তারপরও ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে।
‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য খেলতে নামি। তবে নির্দিষ্ট কিছু বোলারের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটারদের আরও কৌশলগত উন্নতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি। কিন্তু ভুল করার পরও আমরা শিখছি না। আমাদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
সিরিজে সমতা ফেরানোর মিশনে দলে একটি পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ। একাদশে সুযোগ পেতে পারেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া একাদশ নিয়েই খেলতে পারে জিম্বাবুয়ে। জয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে এক ম্যাচ বাকী রেখে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতে নেবে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র একবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে হওয়া তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।
টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের পাল্লা ভারী বাংলাদেশের। ২৫ ম্যাচ খেলে ১৭টিতে জয়ের বিপরীতে ৯টিতে হেরেছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ দল : তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, সাইফুদ্দিন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
জিম্বাবুয়ে দল : সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাদান্ডে, টিনোতেন্ডা মাপোসা, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিয়ন মায়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিয়ামহুরি, মিল্টন শুম্বা।







