ক্যাম্পাস

জবিতে ছাত্রদলের হামলা: আহত ছাত্রশক্তি, শিবির সভাপতি ও জকসু ভিপি

জবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

জবিতে ছাত্রদলের হামলা: আহত ছাত্রশক্তি, শিবির সভাপতি ও জকসু ভিপি- খবরের থাম্বনেইল ফটো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন, মেডিকেল সেন্টারের সুযোগ-সুবিধা ও চিকিৎসাসেবার উন্নয়নসহ ক্যাম্পাসের সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবিরের সভাপতি, জকসুর ভিপি ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।


হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জবি শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজন বর্তমানে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।


হামলার শিকার অন্যন্যরা হলেন মেহেদি হাসান, এ ছাড়া হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন সুহায়েল আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রজব আল ফাহিম, কামরুজ্জামান কায়েস ও জুয়েল মিয়া।


ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, “সুমন সরদার আমার ফোনটি কেড়ে নিয়েছেন।”


হামলার বিষয়ে ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া বলেন, “প্রাথমিক হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আমাকে মুখে, নাকে, পায়ে ও হাতে লাথি মারা হয়েছে। তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে আমাদের কয়েকজনকে আহত করেছে। এছাড়াও ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ আহত হয়েছেন।”


এদিকে হামলার সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা কয়েকজন সাংবাদিককেও হেনস্তা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্য ইত্তেফাক ও দ্য টাইমস অব বাংলাদেশ-এর সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য ক্যাম্পাসে এলে তাদেরও বাধা ও হেনস্তা করা হয়।


ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


এ বিষয়ে ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “জকসুর ব্যর্থতা ও সারা বাংলাদেশের জামায়াত-শিবিরের অপকর্ম ঢাকার জন্য তারা এসব করছে। আমরা যখন দেখি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) তারা মব করার চেষ্টা করছে, একইভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও তারা মব করার চেষ্টা করছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে তারা ছাত্রলীগের লুঙ্গি নেওয়ার মতো করে মব কালচার করে যাচ্ছে।”


তিনি আরও বলেন, “তাদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের। আবাসনের অধিকারকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরাই প্রতিরোধ করেছে।”


সম্পর্কিত খবর