ক্যাম্পাস

সংঘর্ষের তিন দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে জবি উপাচার্য

জবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

সংঘর্ষের তিন দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে জবি উপাচার্য- খবরের থাম্বনেইল ফটো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীদের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের তিন দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।


শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় তিনি তাদের চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহতদের প্রয়োজনীয় ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।


উপাচার্য বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’


তিনি আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাদের চিকিৎসায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।


এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কিছু শিক্ষার্থী মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিলনায়তনের বাইরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতা-কর্মীসহ সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আহত হন।


এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


সম্পর্কিত খবর