ক্যাম্পাস

জাবিতে শহীদ আল্লামা সাঈদী, আব্দুল মালেক ও কামরুল স্মরণে দোয়া মাহফিল

জাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

জাবিতে শহীদ আল্লামা সাঈদী, আব্দুল মালেক ও কামরুল স্মরণে দোয়া মাহফিল- খবরের থাম্বনেইল ফটো

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার উদ্যোগে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মালেকের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


এতে জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ফেরদৌস আল হাসান, দাওয়াত ও ছাত্র অধিকার সম্পাদক সাফায়েত মীরসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


দোয়া মাহফিলে জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আজকে আমরা আমাদের তিনজন শহীদের স্মরণে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি। ১৫ আগস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বয়ান রয়েছে। আমরা মনে করি, ইতিহাসকে তার প্রকৃত প্রেক্ষাপটে জানা ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।”


আব্দুল মালেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ নিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলতেন। ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ইসলামী শিক্ষা নিয়ে একটি সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার পর ফেরার পথে আব্দুল মালেকের ওপর হামলা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শহীদ হন।”


মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, “আমরা আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমাদের তিনজন শহীদের জন্য দোয়া করেছি। একই সঙ্গে আমরা চাই, দেশের ইতিহাসের প্রতিটি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”


তিনি বলেন, “আমরা কোনো অন্যায়কে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার করতে চাই না। অতীতে যারা সন্ত্রাস, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের প্রত্যেকেরই ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হওয়া উচিত।”


উল্লেখ্য, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল মালেক ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ইসলামী শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত হয়ে ১৫ আগস্ট মারা যান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম ১৯৯৪ সালে ক্যাম্পাসে নামাজ পড়া এবং শিবিরের ডাইরি পাওয়ায় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান।


সম্পর্কিত খবর