ক্যাম্পাস

কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

কুবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন- খবরের থাম্বনেইল ফটো

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলে দুই দফা মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের পর তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সাময়িক বহিষ্কার প্রত্যাহার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।


রবিবার (২৩ আগস্ট) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রক্টর বরাবর এ আবেদন করে।


আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ আগস্ট রাতে কাজী নজরুল ইসলাম হলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মারামারি ও হাতাহাতি হলেও কোনো তদন্ত ছাড়াই দুই শিক্ষার্থী -হুমায়ুন কবির ও ইলিয়াস ইসলাম শুভকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁরা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।


আবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে তাদেরকে শারীরিক ভাবে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। এ ধরনের হুমকির কারণে তারা নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ ও শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। এমতাবস্থায়, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, সাময়িক বহিষ্কার প্রত্যাহার, হুমকি প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে -বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ইলিয়াস ইসলাম শুভ বলেন, "ওই দিন ঘটনাস্থলেই আমাদের একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ওই দিনের ঘটনার পর আমরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই শঙ্কিত। আমরা চাই, প্রশাসন আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করুক।"


বহিষ্কারের বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট মো. হারুন বলেন, "তাদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। যেহেতু তারা মারামারির সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।"


এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান রাহাত বলেন, "প্রাথমিকভাবে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রক্টর স্যার আপাতত ছুটিতে আছেন। তিনি ক্যাম্পাসে ফিরলে আমরা আবারও বিষয়টি নিয়ে বসব। তাদের নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে তারা যথাযথ নিরাপত্তা পাবে।"


সম্পর্কিত খবর