ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ছেড়ে কুয়েটের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষামন্ত্রী

মোহাম্মদ সাজিদুল ইসলাম, কুয়েট প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ছেড়ে কুয়েটের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষামন্ত্রী- খবরের থাম্বনেইল ফটো

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তারই সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক রেখে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুয়েটের ২৩তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।


অনুষ্ঠানের শুরুতে কুয়েটের উপাচার্য শিক্ষামন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ক্যাডেটরা শিক্ষামন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে শান্তির প্রতীক হিসেবে পায়রা ওড়ানো হয়।


গার্ড অব অনার শেষে স্বাগত বক্তব্য দেন কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। এরপর বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, “কুয়েটের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর যোগ দেওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তবে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে জানানো হয়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে। এ কারণে তিনি কুয়েটের অনুষ্ঠানে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।”


তিনি জানান, “বিষয়টি জানার পর হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কুয়েটের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেন।” এরপর তিনি কুয়েটে এসে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।


অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষামন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে প্রশাসনিক ভবনে শিক্ষামন্ত্রী ও হুইপ একটি বৈঠকে অংশ নেন।


এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকেও পৃথক র‌্যালি বের করা হয়। এসব র‌্যালিতে বেগম রোকেয়া হল, শহীদ স্মৃতি হল, অমর একুশে হল, ড. এম এ রশিদ হল, ফজলুল হক হল, খানজাহান আলী হল ও লালন শাহ হলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে র‌্যালিগুলো কুয়েটের একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।


উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), খুলনা থেকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির রূপান্তর ঘটে। সেই হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এ বছর কুয়েটের ২৩তম বর্ষপূর্তি পালিত হচ্ছে।


সম্পর্কিত খবর