ক্যাম্পাস

শেকৃবির গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

শেকৃবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

শেকৃবির গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন- খবরের থাম্বনেইল ফটো

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নিজস্ব গবেষণার মাঠে (বাণিজ্য মেলার মাঠ) সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা।


বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধন এবং তা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করা হয় । পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানান আন্দোলনকারীরা।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি একান্তই শেকৃবির নিজস্ব সম্পত্তি। স্বৈরাচার এরসাদ সরকারের সময়ে এই মাঠটি জোরপূর্বক কেড়ে নেয়া হয়েছিল এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা অনুষ্ঠিত হতো।


পরে মেলাটি পূর্বাচলে স্থানান্তরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাঠটি ফেরত পেতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানায়। কিন্তু সম্প্রতি সরকারের আমলারা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনায় গভীর অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


বক্তারা আরও বলেন এখানে সচিবালয় স্থাপিত হলে তাকে কেন্দ্র করে নগরায়ণের প্রভাবে ঢাকা শহরের পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা,, কৃষি গবেষনা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশগত বৈচিত্র্য ও অক্সিজেন সরবরাহ মারত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


খাদ্য মানববন্ধনে শেকৃবির অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তর করা হলে ঢাকা শহরের পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অক্সিজেন সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি গবেষণার জমির সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে।


আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী বলেন , তাদের দাবি না মানা হলে প্রয়োজনে কঠোরতর আন্দোলনের মাধ্যমে এ হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রতিহত করা হবে।


এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে ‘টেক ব্যাক শেকৃবি ল্যান্ড’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। ওই কর্মসূচি থেকে মাঠটি দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। তাদের ভাষ্য ছিল, কৃষি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংকটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।


▌সম্পর্কিত খবর