জাতীয়

ঢাবিতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ

ডেস্ক

শেয়ারঃ

ঢাবিতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ- খবরের থাম্বনেইল ফটো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বিষয়ক গণভোট উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় স্থাপিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে উৎসাহের সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হয়েছেন।


বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা শৃঙ্খলার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মোট ১০টি কেন্দ্র একযোগে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু করেছে।


মুহসীন হল সংলগ্ন ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই নারী ও পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছিল। এছাড়া চারুকলা অনুষদ, কার্জন হল, উদয়ন স্কুল ও ঢাবির এনেক্স ভবনে স্থাপিত কেন্দ্রগুলোতেও ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।


ঢাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন শাওন সকালে এনেক্স ভবন কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। তিনি ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে জানান, দীর্ঘ সময় পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দিনব্যাপী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর জন্য শুভকামনা জানান।


প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। ভোটাররা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তরুণ ভোটার সাকিল আহমেদ বলেন, “দীর্ঘদিন পর নিজ হাতে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। শান্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে আস্থার জায়গাটা ফিরে এসেছে।”


মুহসীন হল এলাকার এক নারী ভোটার জানান, “সকাল থেকেই কেন্দ্রের পরিবেশ সুশৃঙ্খল। নিরাপত্তা ভালো থাকায় নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরেছি।”


চারুকলা অনুষদ কেন্দ্রে ভোট দেওয়া অন্য এক নারী ভোটার বলেন, “অনেক বছর পর এমন উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ দেখছি। লাইনে দাঁড়িয়ে সবাই শান্তভাবে ভোট দিচ্ছে—এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।”


নির্বাচন ও গণভোটে ঢাবির ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের আস্থা পুনরুজ্জীবিত করছে।


সম্পর্কিত খবর