জাতীয়
আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: ফয়েজ আহমদ

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশত্যাগের বিষয়ে সৃষ্ট আলোচনা ও বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের পর নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কর্মস্থল থেকে ‘যথাযথভাবে’ বিদায় নিয়েই তিনি বিদেশে গেছেন।
গত শুক্রবার সকালে ঈমিরেটাস-এর একটি ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শনিবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তার বক্তব্য তুলে ধরেন।
ফয়েজ আহমদ জানান, ফেব্রুয়ারির ৮, ৯ ও ১০ তারিখে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি), পোস্ট ও টেলিকম বিভাগ (পিটিডি) এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করেছেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় তার অবদান ছিল।
তিনি বলেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ছিল তার অফিসিয়াল শেষ কর্মদিবস। ওইদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিদায়ী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মীদের সঙ্গে বিদায়ের মুহূর্তের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশ ছাড়ার কারণ প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমদ জানান, তার সন্তানের স্কুলসংক্রান্ত কার্যক্রম এবং স্ত্রীর চিকিৎসাজনিত জরুরি বিষয় রয়েছে। ছুটি নিয়েই তিনি পরিবারের কাছে গেছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় পরিবারকে সময় দিতে না পারার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের সততা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও নতুন প্রযুক্তি প্রবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে তিনি ‘কুৎসা’ বলে উল্লেখ করেন এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষ অডিট বা গবেষণার মাধ্যমে যাচাইয়ের আহ্বান জানান।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এখন দ্রুত একটি নতুন চাকরি খুঁজবেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, তার বিদেশযাত্রা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলাদা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








