সারাদেশ
সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অন্যায় চাপিয়ে দিলে ফল শুভ হবে না: জামায়াত সেক্রেটারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, একই প্রক্রিয়ায় গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আয়োজনে বৈষম্য করা বিবেকবর্জিত ও প্রতারণামূলক।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঈদ প্রীতি সমাবেশে তিনি বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে সরকার যদি জনগণের ওপর অন্যায় চাপাতে চায়, তবে তার ফল শুভ হবে না।” অতীত উদাহরণ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, কর্তৃত্ববাদী শাসকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণকে দমন করতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের দায় পুরোপুরি সরকারের। সংকট দীর্ঘায়িত হলে দায়ভারও সরকারের। জনগণকে রাজপথে নামতে বাধ্য না করতে সরকারকে তিনি সতর্ক করেন।
সমাবেশে মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, খুলনা মহানগরী জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি, দাকোপ-বটিয়াঘাটা হিন্দু কমিটির সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দী প্রমুখ।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দল কোনো বিশৃঙ্খলা বা সন্ত্রাসের রাজনীতি সমর্থন করে না, তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন। তিনি ধর্মীয় উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, “সৎ কাজে সহযোগিতা করব এবং অন্যায়ের কঠোর প্রতিবাদ জানাব।”
২৯ মার্চ সংসদ অধিবেশন শুরুর প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, সংসদ যেন সংবিধান, আইন ও কার্যপ্রণালী বিধির বাইরে না যায়, না হলে নতুন রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, বিপুল সংখ্যক আসনের কারণে জামায়াত এখন প্রধান বিরোধী দল এবং ড. শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি জানিয়ে বলেন, পাঁচ কোটি মানুষের সমর্থনপুষ্ট এই সনদ উপেক্ষা করলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে।







