ক্যাম্পাস

রাবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কোর্স চালুর জন্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

রাবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কোর্স চালুর জন্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত- খবরের থাম্বনেইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হিট প্রজেক্টের অংশ হিসেবে এল.এল.এম (মাস্টার্স) প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কোর্স চালু ও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কনফারেন্স রুমে শিক্ষকদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।


এ কর্মশালায় সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. জুলফিকার আহমেদ এল.এল.এম (মাস্টার্স) প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কোর্স চালু ও পাঠ্যক্রম পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির কোর্স কারিকুলাম উপস্থাপন করেন।


প্রফেসর ড. জুলফিকার আহম্মদ 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক প্রস্তাবিত LL.M. কোর্সটি আইন বিভাগে চালু করার বিষয়ে এই কোর্সের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে বলেন - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্বব্যাপী শাসনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং মানবাধিকার কাঠামোকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। বাংলাদেশে এআই এর জন্য সুসংগঠিত আইনগত কাঠামোর অভাব থাকায় আইন পেশাজীবীদের এআই শাসন, নৈতিকতা এবং নিয়ন্ত্রণ কাঠামো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য এই কোর্সটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আর এই হির প্রজেক্টের আর্থিক সহায়তায় এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক নতুন কোর্সটি আইন বিভাগে চালু হলে তা হবে বাংলাদেশের আইন জগতের থেকে অন্যতম এক পথিকৃৎ ও অগ্রদূত হয়ে থাকবে। এভাবেই বাংলাদেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ২০০৭ সালে সাইবার নামক কোর্সটি চালু অগ্রদূত হয়ে কাজ করেছিল।


অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যেন সমুদ্র আইন, পরিবেশ আইন, সাইবার আইন ইত্যাদি সেক্টরে বাংলাদেশে অগ্রদূত হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে তদ্রুপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কোর্স চালুর মাধ্যমে এ সেক্টরেও পথপ্রদর্শক হবে বলে আশাবাদী। আইন বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স চালু করা যায় কি না এ ব্যাপারে ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করেন।


এছাড়াও উক্ত ওয়ার্কশপে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকগণ ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা এআই প্রযুক্তি ও মেশিন লার্নিং সম্পর্কে ধারণা লাভকরতে, এআই-এর আইনগত ও নৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করতে, বাংলাদেশের এআই আইনগত প্রস্তুতি মূল্যায়ন করতে, মানবাধিকার ও আইনের শাসনে এআই এর প্রভাব বিশ্লেষণ করতে, আন্তর্জাতিক এআই নিয়ন্ত্রক কাঠামো বিশ্লেষণ করতে, নীতিমালা ও আইন প্রণয়নের সুপারিশ করতে এবং এআই আইন নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।


সম্পর্কিত খবর