ক্যাম্পাস

ঢাবিতে ডুকার ৫ম সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ঢাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

ঢাবিতে ডুকার ৫ম সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত- খবরের থাম্বনেইল ফটো

ডুকার ৫ম সাধারণ সভা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেমিস্ট্রি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (ডুকা)-র ৫ম বার্ষিক সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ঝাঁঝমকপূর্ণভাবে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।


পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, একটি পতিত সরকার শিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য সব ধরণের কাজ করে গেছে। প্রাথমিক, বিজ্ঞান, গণিত এসব শিক্ষার মান দিন দিন কমছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিত বেকারের পরিমাণ বেড়েছে, এমন এক পরিস্থিতি আমরা এখন আছি। বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি অনীহা, যুগোপযোগী পড়াশোনা না হওয়ার কারণে এমন বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। দক্ষতা ও উদ্ভাবনের বিষয়ে আমাদের এখানে কোনো নজর দেওয়া হয় নি। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে তাকালেই আপনি তাদের সায়েন্স কাউন্সিল-সহ আরও অনেক উদ্ভাবন দেখতে পারবেন।


তিনি বলেন, বিশ্বের সকাল জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিয়ে গেছে অ্যালামনাইরাই। অ্যালমনাই অ্যাসোসিয়েশন এই শতবর্ষী ডিপার্টমেন্টকে সবদিক দিয়ে এগিয়ে নিতে বড় ধরণের ভূমিকা পালন করবে। সময় এসেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ভিত্তিক হিসেবে গড়ে তোলা।


কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও রসায়ন বিভাগের অ্যালমনাই মনিরুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকার দেশটা ধ্বংস করে দিছে সাথে সাথে শিক্ষাব্যবস্থাকে পঁচিয়ে ফেলেছে। আমি সংসদে বলবো শিক্ষাকে সবকিছুর আগে সংস্কার করতে হবে। এই দেশে সবকিছু পঁচে গেছে, কোনো স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কিছুই ঠিক নাই।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, এখানে আসলে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রাইম টাইমের কথা মনে পড়বে। আমরা আশা করি সামনের দিনগুলোতেও এমন আরও আয়োজন হবে এবং আপনারা সেগুলোতে অংশগ্রহণ করবেন।


সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত এই অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। রসায়ন বিভাগ আমার কাছে একটি ভয়ের সাবজেক্ট। আমাদের জীবনের সাথে রসায়ন জড়িত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে এই বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রেখেছে।


তিনি আরও বলেন, যারা এখান থেকে বের হন তাদের এই ডিপার্টমেন্টকে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক কিছু দেওয়ার আছে। সেই জায়গা থেকে এই অ্যালামনাই আরো আগে প্রতিষ্ঠা হওয়ার দরকার ছিলো। অ্যালমনাইরা যদি বিভাগের ভালো-মন্দের সাথে জড়িত থাকে তাহলে বিভাগের অনেক উন্নতি হবে। কারণ আমরা জানি গভমেন্টের একার পক্ষে অ্যাকাডেমিক, রিসার্চ সবদিকে সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই এই অ্যালামনাইরা পারে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সাহায্য করতে।


এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিএসাইআর-এর চেয়ারম্যান সামিনা আহমেদ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, ডুকা সভাপতি ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফরিদা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মে. আফতাব আলি শেখ।


সম্পর্কিত খবর