ক্যাম্পাস

চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট চালু নিয়ে চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়

চবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট চালু নিয়ে চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়- খবরের থাম্বনেইল ফটো

চাইনিজ ভাষা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের লক্ষ্যে চীনের অর্থায়নে এবং ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।


শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টায় চবি উপাচার্যের দপ্তরে ইনস্টিটিউটটির কার্যক্রম চালু, পরিচালনা, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা ও নিয়মকানুন নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইনস্টিটিউটটির কার্যক্রম শুরু হতে পারে।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ইব্রাহিম হোসেন।


আগত চীনা প্রতিনিধি দল উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টদের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষার্থী বিনিময়, উভয় দেশে শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করেন। এছাড়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক নিয়োগ, গভর্নিং বডি গঠনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।


সভায় উপাচার্য আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতামত পেশ করেন। তিনি বলেন, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় সহজ হবে। চবির শিক্ষার্থীরা চীনা ভাষা শিখতে পারবে এবং চীনা শিক্ষার্থীরা বাংলা ভাষা শিখতে পারবে। এর ফলে দুই দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিভিত্তিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।


চীনা প্রতিনিধি দলে ওয়াং কুন, লি জিং জুন, জিয়া ওয়াংইয়েই এবং জেও রুইহং উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে চীন সরকার, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। এখানে চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানো হবে। এ জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চীনকে দেড় একর জমি প্রদান করবে এবং বিনিময়ে চীন সরকারের অর্থায়নে ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।


সম্পর্কিত খবর