আন্তর্জাতিক
বেইজিংয়ে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঐতিহাসিক সফরে চীনে গেছেন। রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্রেট হল অব দ্য পিপলের বিশাল কনফারেন্স রুমে বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্ধনীতির দেশের প্রেসিডেন্টদের বৈঠক হচ্ছে।
চীনা সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে ট্রাম্পের সাথে যোগ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ও বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
তবে চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে কারা কারা সঙ্গী হয়েছে সে তালিকা প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি।
বৈঠকের শুরুতে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্টকে জানান তিনি তার সাথে বিশ্বের সেরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে এসেছেন।
তিনি বলেন, “আমরা এক ছিলাম। যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে আমরা সমাধান করেছি। আমি আপনাকে কল দিতাম। আপনি আমাকে কল দিতেন। মানুষ জানে না যখনই আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হয়েছে, আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এটির সমাধান করেছি।”
নিজের সাথে সেরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে এসেছেন উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, “আজকের সেরা ব্যক্তিরা এখানে এসেছেন শুধুমাত্র আপনাকে সম্মান জানাতে।”
এই বৈঠককে মানুষ বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্মেলন হিসেবে অভিহিত করছে উল্লেখ করে ট্রাম্প শি জিনপিংকে বলেন, আলোচনা ফলপ্রসু হওয়ার ক্ষেত্রে আমি আশাবাদী।
তিনি বলেন, “আপনার সাথে দেখা হওয়া, আপনার বন্ধু হওয়ার আমার জন্য গর্বের। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক এরআগে কখনো এত ভালো হয়নি।”
চীনের পক্ষ থেকে মার্কিন পণ্য কেনা বাড়ানোর বিষয়ে ইঙ্গিত দেয়া হতে পারে। অনেক বিশ্লেষক একে ‘ফাইভ বিস’ বলে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ, গরুর মাংস, সয়াবিন কেনা বাড়াতে পারে বেইজিং। ভবিষ্যতে বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য বোর্ড এবং বিনিয়োগ বোর্ড নিয়েও দুই নেতার মধ্যে বিশদ আলোচনা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে ‘থ্রি টিজ’–এর বিষয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো— শুল্ক, প্রযুক্তি এবং তাইওয়ান। চীন এখনো তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের বিরোধ রয়েছে।







