ক্যাম্পাস

চাকুরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইবির কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে

ইবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

চাকুরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইবির কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে- খবরের থাম্বনেইল ফটো

চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর বাদশা আলমগীরের বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) রাতে শাহীন আলম নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তোলেন। পরে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা সৃষ্টি হয়।


জানা যায়, কুষ্টিয়ার বৃত্তিপাড়ার রঞ্জিতপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহীন আলমকে ইবিতে পিয়ন পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে প্রথমে ৪ লাখ টাকা দাবি করেন কম্পিউটার অপারেটর বাদশা আলমগীর। পরে তাদের মধ্যে ৩ লাখ টাকায় এটির সমঝোতা হয়।


চুক্তি অনুযায়ী, শাহীন আলম তার শ্বশুরের মাধ্যমে অভিযুক্তের হাতে ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪-৫ দিন কাজও করেন। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, তাকে যে চাকুরিটি দেওয়া হয়েছে সেটি পিয়ন পদ নয়, বরং দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরিভিত্তিক (ডেইলি লেবার) কাজ।


বিষয়টি জানতে পেরে শাহীন আলম বাকি ১ লাখ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পূর্বে প্রদানকৃত ২ লাখ টাকা ফেরত চান। এসময় বাদশা আলমগীর টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং শাহীন আলমের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিজের কাছে রেখে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহীন আলম বলেন, আমাকে পিয়ন (স্থায়ী) পদে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে দেখি এটি ডেইলি লেবারের কাজ। আমি টাকা ফেরত চাইলে তিনি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি এভাবে আরও অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। যদিও তাদের মধ্যে কেউ কেউ টাকা ফেরত পেলেও তিনি এখনো তার টাকা ফেরত পাননি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ন্যায়বিচার এবং অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।


এদিকে অভিযুক্ত বাদশা আলমগীর তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি তার চাকুরির বিষয়ে কিছুই জানি না।


সম্পর্কিত খবর